যে কারণে মসজিদে হামলা চালায় খ্রিস্টান জঙ্গি

হামলার আগেই হামলাকারী টুইটারে ৭৩ পাতার ইশতেহার আপলোড করে হামলার ঘোষণা দেন।

তিনি বলেছিলেন- এটি একটি সন্ত্রাসী হামলা। এ ছাড়া অভিবাসনের বিলুব্ধে অবস্থান নেয়ায় তিনি নিজেকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থক বলে উল্লেখ করেন।

হামলাকারী নিজেও একজন অভিবাসনবিরোধী বলে ইশতেহারে উল্লেখ করেছেন।

২০১১ সালে নরওয়ের অসলোতে অ্যান্ডারস ব্রেভিক নামে এক সন্ত্রাসীর হামলায় ৭৭ জন নিহত হয়েছিলেন।

হামলাকারী ওই ঘটনা থেকে উদ্বুদ্ধ হয়ে এ হামলা চালায় বলে ৭৩ পাতার ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিবাসীবিদ্বেষী এ হামলাকারী তার ইশতেহারে বলেছেন- হামলা করে তিনি অনুপ্রবেশকারীদের (অভিবাসীদের) দেখাতে চান যে, আমাদের ভূমি কখনও তাদের ভূমি হবে না, যতক্ষণ শেতাঙ্গরা জীবিত থাকবেন।

তিনি আরও লিখেছেন, আমাদের এবং নিজেদের শিশুদের ভবিষ্যৎকে নিশ্চিত রাখতে হবে।

নিজেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একজন সমর্থক হিসেবে তুলে ধরে হামলাকারী বলেন, পুনরুজ্জীবিত শ্বেতাঙ্গ পরিচয়ের প্রতীক হিসেবে আমি অবশ্যই ট্রাম্পের একজন সমর্থক।

ইশতেহারে তিনি আরও বলেন, আমি মুসলিমদের অপছন্দ করি। আমি সেসব মুসলিমকে ঘৃণা করি, যারা অন্য ধর্ম থেকে এসে মুসলিম হয়।

হামলাকারী এসব মুসলিমকে রক্তের সঙ্গে প্রতারণাকারী বলে উল্লেখ করেছেন। এসব প্রতারণাকারীর বেঁচে থাকার কোনো অধিকার নেই।

হামলাকারী বলেন, আমি ডিলান রুফসহ আরও অনেকের বই পড়েছি। তবে আমি প্রকৃতভাবে অ্যান্ডারস ব্রেভিকের ওই হামলা থেকেই উদ্বুদ্ধ হয়েছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *